কলেজের ক্লাসরুমে প্রিয়া বসে আছে। ২১ বছরের এই সেক্সি ছাত্রী প্রিয়া, লম্বা চুল, ৩২-২৪-৩৪ সাইজের ফিগার নিয়ে সব ছেলেদের ল্যাওয়া লাগিয়ে রেখেছে। তার টাইট টপের ভেতর দুটো রসালো দুধ টগবগ করছে, যেন কোনো হট মডেল। স্কার্ট ছোট, গোল পোঁদটা প্রায় বের হয়ে আসছে। আর তার টিচার, মিস্টার অমিত – ৩৫ বছরের হ্যান্ডসাম প্রফেসর, মাসকুলাইন বডি, ৯ ইঞ্চির মোটা ল্যাংড়া নিয়ে ক্লাসের রাজা। প্রিয়াকে দেখলেই তার ল্যাংড়া শক্ত হয়ে যায়। গল্প শুরু হয়েছে একটা প্রাইভেট টিউশন ক্লাস থেকে...

সন্ধ্যা ৭টা। অমিতের ফ্ল্যাটে শুধু প্রিয়া আর সে। "প্রিয়া, তোমার অ্যাসাইনমেন্টটা খুব খারাপ। আজ এটা শেখাতে হবে," অমিত বললো সিরিয়াস গলায়, কিন্তু চোখ প্রিয়ার দুধের ক্লিভেজে আটকে। প্রিয়া ঝুঁকে বই খুললো, তার দুধ দুটো টেবিলে চাপ দিয়ে উঁচু হলো। "স্যার, আমি বুঝতে পারছি না। আপনার হেল্প চাই," সে ফোঁসফোঁস করে বললো, লাল ঠোঁট চাটতে চাটতে। অমিতের ল্যাংড়া প্যান্টে উঠে এলো। "আয়, কাছে বস। আমি দেখাই," সে বললো।

প্রিয়া চেয়ার টেনে অমিতের পাশে বসলো। তার নরম উরু অমিতের উরুর সাথে ঠেকলো। অমিতের হাত প্রিয়ার কোমরে চলে গেল। "স্যার, এটা কী?" প্রিয়া হাসি মুখে বললো, চোখে আগুন। "তোমার এই হট বডিটা দেখে আমার ল্যাংড়া শক্ত হয়ে যায় প্রিয়া। প্রতি ক্লাসে তুমি আমার স্বপ্নে চোদাচো," অমিত ফিসফিসালো। প্রিয়া তার হাত অমিতের উরুতে রাখলো, ধীরে উপরে নিয়ে প্যান্টের উপর ঘষলো। "স্যারের ল্যাংড়াটা তো পাথর হয়ে গেছে। আমি মালিশ করি?" সে চোখ মেরে বললো।

অমিত আর সহ্য করলো না। প্রিয়ার ঠোঁট ধরে চুম্বন শুরু করলো। জিভ ঢুকিয়ে চুষতে লাগলো। প্রিয়া "উম্মম... স্যার... আহহহ... চোষো আমার জিভ!" করে তার ঘাড় জড়িয়ে ধরলো। অমিতের হাত প্রিয়ার টপ তুলে দিলো। ভেতরে পিঙ্ক লেস ব্রা, দুটো ফুলে ওঠা দুধ। "ওফফ... এত রসালো দুধ কোথায় পেলি প্রিয়া? আমি চুষে খাবো!" ব্রা খুলে ফেললো। গোলাপি বোঁটা শক্ত। মুখ ঝুঁকিয়ে একটা চুষতে শুরু। "চোষো স্যার... জোরে চোষো আমার বোঁটা... কামড়াও... আহহহহ!" প্রিয়া চিৎকার করলো।

অমিত দ্বিতীয় দুধ চুষছে, হাতে প্রথমটাকে মিষ্টি করে মলছে। প্রিয়ার হাত অমিতের প্যান্ট খুলে ল্যাংড়াটা বের করলো। "উফফফ... স্যারের ৯ ইঞ্চির বিশাল ল্যাংড়া! গরম আর মোটা!" সে হাত পিটপিট করে মারাতে শুরু। অমিতের ল্যাংড়া লাফাচ্ছে। সে প্রিয়ার স্কার্ট উপরে করলো। প্যান্টি ভিজে গেছে। "তোমার চুতটা তো রস ফেলছে প্রিয়া। আমি চাটবো!" প্রিয়াকে সোফায় শুইয়ে প্যান্টি ছিঁড়ে ফেললো। গাঢ় গোলাপি চুত, পাপড়ি ফাঁক করে ভর্তি রস।

অমিত মুখ গুঁজে প্রিয়ার চুতে জিভ ঘষলো। "আহহহহ... স্যার... চাটো... জিভ ঢোকাও গভীরে... আমার ক্লিট চোষো!" প্রিয়া পা ছুঁড়ে চিৎকার। অমিত জিভ চুতের ফাঁকে ঘুরাচ্ছে, ক্লিট চুষে টানছে। প্রিয়ার শরীর কাঁপছে। "উফফফ... জেট করছি স্যার... আহহহহ!" সে ছিটে দিয়ে অমিতের মুখ ভাসিয়ে দিলো। অমিত চেটে চেটে খেলো সব রস। "তোমার চুতের আমৃত রস প্রিয়া। এবার তুমি চোষো আমার ল্যাংড়া।"

প্রিয়া হাঁটু গেড়ে বসলো। ল্যাংড়া মুখে নিয়ে চুষতে শুরু। "মমমম... স্যারের ল্যাংড়া স্বাদিষ্ট! আমি গিলে খাবো!" জিভ দিয়ে মাথা চাটছে, গলা পর্যন্ত ঢোকাচ্ছে। অমিত "আহহ... চোষ প্রিয়া... তুই তো পর্নো স্টার... গলায় ঠেকাও!" তার মাথা চেপে ধরলো। প্রিয়া গলগল শব্দ করে চুষছে, রস চেটে খাচ্ছে। ১২ মিনিট পর অমিত "মাল বের করবো!" বললো। প্রিয়া মুখে নিয়ে গিলে ফেললো। "উম্ম... স্যারের ঘন মাল অসাধারণ!"

অমিত প্রিয়াকে তুলে সোফায় ছুঁড়ে ফেললো। পা ফাঁক করে ল্যাংড়া চুতের গর্তে রাখলো। "ঢোকাবো প্রিয়া... তোর চুত ছিঁড়ে দেবো আমার ল্যাংড়ায়!" "ঢোকাও স্যার... জোরে ঠাপাও... আমার চুত তোমার ল্যাংড়ার দাসী!" প্রিয়া চিৎকার। এক ঠাপে পুরোটা ঢুকলো। "আহহহহহ... ফেটে গেলো... স্যার... মারো পিস্তলের মতো!" অমিত জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলো। পচপচ, চটাচট শব্দ। প্রিয়ার দুধ লাফাচ্ছে। সে দুধ চটকাতে চটকাতে চুদছে।

"কেমন লাগছে প্রিয়া? আমার ল্যাংড়া তোর ভেতরে?" "উফফফ... সুপার স্যার... আরো জোরে... আমি তোমার চোদনের রেন্ডি!" ২৫ মিনিট মিশনারি, তারপর ডগি স্টাইলে। প্রিয়ার পোঁদে চড় মেরে লাল করে দিলো। "তোর এই রসালো পোঁদ দেখে পাগল হই প্রিয়া!" "চড়াও স্যার... পোঁদ চড়াও... ফাক মি হার্ডার!" প্রিয়া আবার জেট করলো, চুত সংকুচিত হয়ে ল্যাংড়া চেপে ধরলো। অমিত শেষে চুতের গভীরে ঘন মাল ঢেলে দিলো। "নাও প্রিয়া... আমার গরম বীর্য!"

দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে। কিন্তু অমিতের ল্যাংড়া আবার উঁচু। "প্রিয়া, তোর পোঁদে চুদবো?" "হ্যাঁ স্যার... পোঁদ ভার্জিন... তোমার জন্য রেখেছি!" প্রিয়া ডগি হয়ে পোঁদ ফাঁক করলো। অমিত চুতের রস ল্যাংড়ায় লাগিয়ে ধীরে ঢোকালো। "আহহ... ব্যথা করছে... কিন্তু মজা... পুরো ঢোকাও স্যার!" পুরোটা ঢুকিয়ে ঠাপ শুরু। পোঁদের টাইট গর্তে ল্যাংড়া ঢুকছে-বেরোচ্ছে। "তোর পোঁদটা সুপার টাইট প্রিয়া... চোদার মজা দ্বিগুণ!" "ঠাপাও স্যার... পোঁদ ফাটিয়ে দাও... আহহহ!"

২০ মিনিট অ্যানাল পাউন্ডিংয়ের পর অমিত পোঁদে মাল ফেললো। প্রিয়া ক্লান্ত হয়ে পড়লো। "স্যার, পরীক্ষায় A+ দেবেন তো?" "হ্যাঁ প্রিয়া, তুমি আমার প্রাইভেট স্টুডেন্ট। প্রতি সপ্তাহে এমন চোদাচুদি হবে!"

পরের দিন কলেজে সবাই এলো। কিন্তু প্রিয়া আর অমিতের মধ্যে গোপন রহস্য। প্রতি টিউশনে তারা লক করে চুদে। প্রিয়ার চুত-পোঁদ অমিতের। এটা তাদের নিষিদ্ধ লালসার গল্প...