অফিসের ঝকঝকে গ্লাসের দেয়ালের পিছনে, রিয়া তার ডেস্কে বসে আছে। ২৫ বছরের এই সেক্সি মাল রিয়া, লম্বা কালো চুল, ফুলে ওঠা ৩৪-২৬-৩৬ সাইজের ফিগার নিয়ে অফিসের সব ছেলেদের ল্যাওয়া লাগিয়ে রেখেছে। তার টাইট ব্লাউজের ভেতর দুটো বিশাল দুধ ঝুলছে, যেন কোনো পর্নো স্টারের মতো। স্কার্ট এত ছোট যে তার গোল গোল পোঁদটা প্রায় বেরিয়ে আসছে। আর তার বস, মিস্টার রাহুল – ৪০ বছরের ডালাস মেন, মাসকুলাইন বডি, মোটা ল্যাংড়া নিয়ে অফিসের রানার। সে রিয়াকে দেখলেই তার ল্যাংড়া শক্ত হয়ে যায়। আজকের গল্পটা শুরু হয়েছে একটা লেট নাইট মিটিং থেকে...

রাত ৯টা। অফিস প্রায় খালি। রাহুলের কেবিনে শুধু রিয়া আর সে। "রিয়া, তোমার রিপোর্টটা দেখে খুব খারাপ লাগলো। আজ রাতে এটা ঠিক করতে হবে," রাহুল বললো গম্ভীর গলায়, কিন্তু তার চোখ রিয়ার দুধের উপর আটকে আছে। রিয়া ঝুঁকে পড়লো টেবিলে, তার গভীর ক্লিভিজটা সামনে এসে গেল। "স্যার, আমি চেষ্টা করবো। কিন্তু আপনার হেল্প লাগবে," সে ফোঁস ফোঁস করে বললো, তার লাল ঠোঁট কামড়ে। রাহুলের ল্যাংড়া প্যান্টে উঠে এলো। "আয়, কাছে বস। আমি দেখাই," সে বললো।

রিয়া তার চেয়ার টেনে রাহুলের পাশে বসলো। তার পোঁদটা রাহুলের উরুর সাথে ঠেকলো। রাহুলের হাত অজান্তে তার কোমরে চলে গেল। "স্যার, এটা কী করছেন?" রিয়া হাসতে হাসতে বললো, কিন্তু তার চোখে লালসা। "তোমার এই সেক্সি বডিটা দেখে কন্ট্রোল হচ্ছে না রিয়া। প্রতিদিন অফিসে এসে তুমি আমার স্বপ্নে ঢোকো," রাহুল ফিসফিস করে বললো। রিয়া তার হাতটা রাহুলের উরুতে রাখলো, ধীরে ধীরে উপরে নিয়ে গেল। "স্যারের ল্যাংড়াটা তো শক্ত হয়ে গেছে। আমি হেল্প করি?" সে চোখ মারলো।

রাহুল আর কথা না বাড়িয়ে রিয়ার ঠোঁটে চুমু খেলো। তার জিভ রিয়ার মুখে ঢুকিয়ে চুষতে লাগলো। রিয়া "উম্ম... স্যার... আহহ..." করে কামড়ে ধরলো তার ঠোঁট। রাহুলের হাত রিয়ার ব্লাউজের বোতাম খুলতে শুরু করলো। একটা একটা করে খুলে ফেললো। ভেতরে কালো লেসের ব্রা, দুটো বিশাল দুধ উঁচু হয়ে আছে। "ওরে বাপরে, এত বড় দুধ কোথায় পেলে রিয়া? আমি চুষবো!" রাহুল বলে ব্রা টেনে খুলে ফেললো। দুটো গোলাপি বোঁটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সে মুখ ঝুঁকিয়ে একটা বোঁটা চুষতে শুরু করলো। "চোষো স্যার... জোরে চোষো আমার দুধ... আহহহ... ফাটিয়ে দাও!" রিয়া চিৎকার করলো।

রাহুল দ্বিতীয়টা চুষছে, হাত দিয়ে প্রথমটাকে মলছে। রিয়ার হাত রাহুলের প্যান্টের জিপারে গেল। টেনে খুলে ভেতরে হাত ঢুকিয়ে মোটা ল্যাংড়াটা ধরলো। "উফফ... স্যারের ল্যাংড়া তো ৮ ইঞ্চির! গরম গরম!" সে হাত মারাতে শুরু করলো। রাহুলের ল্যাংড়া থরথর করে কাঁপছে। সে রিয়ার স্কার্ট উপরে তুললো। কালো প্যান্টির ভেতর ভিজে গেছে রিয়ার চুত। "তোমার চুতটা তো পানি ফেলছে রিয়া। আমি চাটবো!" রাহুল বলে রিয়াকে টেবিলে শুইয়ে দিলো। প্যান্টি খুলে ফেললো। রিয়ার গোল চুত, গোলাপি পাপড়ি ফাঁক করে ভিজে আছে।

রাহুল মুখ ঝুঁকিয়ে রিয়ার চুতে জিভ দিলো। "আহহহ... স্যার... চাটো... জিভ ঢোকাও আমার চুতে!" রিয়া চিৎকার করলো। রাহুলের জিভ চুতের ফাঁকে ঢুকিয়ে চাটছে, ক্লিট চুষছে। রিয়ার পা দুটো কাঁপছে। "উফফ... আমি জেট করবো স্যার... আহহহ!" সে চিৎকার করে জল ফেললো রাহুলের মুখে। রাহুল চেটে খেলো সব রস। "তোমার চুতের রসটা তো আমৃত রিয়া। এবার তোমার পালা।"

রিয়া উঠে রাহুলের সামনে হাঁটু গেড়ে বসলো। তার ল্যাংড়া বের করে মুখে নিলো। "মমম... স্যারের ল্যাংড়া সেক্সি!" সে চুষতে শুরু করলো। জিভ দিয়ে ঘুরাচ্ছে, গলা পর্যন্ত ঢোকাচ্ছে। রাহুল "আহহ... চোষ রিয়া... তুই তো প্রো!" বলে তার মাথা চেপে ধরলো। রিয়া গলগল করে চুষছে, ল্যাংড়ার রস চেটে খাচ্ছে। ১০ মিনিট চোষার পর রাহুল "বের করবো!" বললো, কিন্তু রিয়া ছাড়লো না। মুখে নিয়ে গিলে ফেললো সব মাল। "উম্ম... স্যারের মাল সুস্বাদু!"

রাহুল রিয়াকে তুলে কেবিনের সোফায় ফেললো। তার পা ফাঁক করে ল্যাংড়া চুতের মুখে রাখলো। "ঢোকাবো রিয়া... তোর চুত ফাটিয়ে দেবো!" "ঢোকাও স্যার... জোরে মারো... আমার চুত চাই তোমার ল্যাংড়া!" রিয়া চিৎকার করলো। এক ঠাপে পুরো ল্যাংড়া ঢুকলো। "আহহহহ... ফাটলো... স্যার... মারো!" রাহুল পিস্তলের মতো ঠাপ দিতে শুরু করলো। পচ পচ শব্দ হচ্ছে। রিয়ার দুধ দুলছে। সে দুধ চটকাতে চটকাতে ঠাপাচ্ছে।

"কেমন লাগছে রিয়া? আমার ল্যাংড়া তোর চুতে ভালো?" "উফফ... সুপার স্যার... আরো জোরে... আমি তোমার রেন্ডি!" ২০ মিনিট ডগি স্টাইলে মারলো। রিয়ার পোঁদ চড় মেরে লাল করে দিলো। "তোর এই গোল পোঁদটা দেখে পাগল হই রিয়া!" "চড়াও স্যার... ফাক মি হার্ডার!" রিয়া আবার জেট করলো। রাহুলও শেষে চুতের ভেতর মাল ঢেলে দিলো। "আহহ... নাও রিয়া... আমার হট মাল!"

দুজনে হাঁপাচ্ছে। কিন্তু রাহুলের ল্যাংড়া আবার শক্ত। "রিয়া, তোর পোঁদে ঢোকাবো?" "হ্যাঁ স্যার... আমার পোঁদ ভার্জিন... কিন্তু তোমার জন্য খুলে দিচ্ছি!" রিয়া ডগি হয়ে পোঁদ ফাঁক করলো। রাহুল তার চুতের রস ল্যাংড়ায় লাগিয়ে ধীরে ঢোকালো। "আহহ... ব্যথা... কিন্তু ভালো... পুরো ঢোকাও!" রাহুল পুরো ঢুকিয়ে ঠাপাতে শুরু করলো। পোঁদের ফাঁকে ল্যাংড়া ঢুকছে বেরোচ্ছে। "তোর পোঁদটা টাইট রিয়া... ফাকিং অসাধারণ!" "মারো স্যার... পোঁদ ফাটাও!"

১৫ মিনিট অ্যানালের পর রাহুল পোঁদে মাল ঢেলে দিলো। রিয়া ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়লো। "স্যার, প্রমোশন পাবো তো?" "হ্যাঁ রিয়া, তুমি আমার পার্সোনাল সেক্রেটারি হবে। প্রতিদিন এমন ফাকিং হবে!"

সকাল হলো। অফিসে সবাই এলো। কিন্তু রিয়া আর রাহুলের মধ্যে নতুন সম্পর্ক। প্রতি রাতে অফিস লক করে তারা ফাক করে। রিয়ার চুত-পোঁদ সব রাহুলের। এটা তাদের নিষিদ্ধ আগুনের গল্প...